Pakistani wife with her boyfriend 🥰😍

Netflix Moment
0

 







গল্পের নাম: “অবৈধ অথচ সত্য”

(একটি পরিণত ভালোবাসার গল্প)


---

১. পরিচয়:

নওশীন – বয়স ৩৪, এক কন্যাসন্তানের মা, সফল কর্পোরেট নারী।
তার স্বামী বিদেশে থাকে, বছরে একবার আসে, বাকিটা সময় শুধু ভিডিও কলে কথা হয়।
বিয়ে আট বছর হলো, সম্পর্কটা এখন শুধুই টিকে থাকার মতো।
তবে সে সবসময় চেয়েছে – ছোঁয়া, উষ্ণতা, চোখে চোখ রাখা এক গভীর সম্পর্ক। কিন্তু পায়নি।
atOptions = { 'key' : 'c8c952bd9ce459e5ca0e4842f2d54a98', 'format' : 'iframe', 'height' : 90, 'width' : 728, 'params' : {} };
: center;">
রিজওয়ান – বয়স ২৮, একজন আর্কিটেক্ট, স্বাধীনচেতা, বিয়ে করেনি।
ভালোবাসা নিয়ে তার তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে, তাই এখন শুধু সময় নিয়ে খেলে।

তাদের দেখা হয় এক কোম্পানির ইন্টেরিয়র প্রজেক্টের সময়।
প্রথম দেখায় একে অপরকে শুধুই একজন পেশাদার হিসেবেই দেখে।
atOptions = { 'key' : 'b2d824cea81b47035efebfe88974d66d', 'format' : 'iframe', 'height' : 600, 'width' : 160, 'params' : {} };
: center;">কিন্তু দ্বিতীয়বার, তৃতীয়বার... কিছু অদ্ভুত অনুভূতি ঘিরে ধরে।


---

২. নিষিদ্ধ অনুভবের শুরু:

এক দুপুরে মিটিং শেষে অফিস কফিরুমে চা খেতে খেতে রিজওয়ান জিজ্ঞেস করে,
“তোমার হাসিটা সবসময় কষ্টের পরেও কেন এত পরিপাটি থাকে?”

নওশীন থমকে যায়। এত বছর পর কেউ তার হাসির ভেতরের ব্যথা দেখল?

সে হালকা হেসে বলে,
“হাসিটা ফিটিং এর মতো, জুড়ে নিয়েছি জীবনের সঙ্গে।”

সেদিনের পর থেকে তারা শুধু কাজ নয়, মানুষ হিসেবেও কথা বলা শুরু করে।
রাতের শেষে WhatsApp এ “তুমি আজ কেমন ছিলে?”
সকালবেলায় “চা খেয়েছো তো?”

রিজওয়ান কাঁধ ছুঁয়ে বলে,
“তুমি খুব ক্লান্ত, একটু মাথায় হাত দিলে আরাম লাগবে?”

নওশীন বলে না “না”।


---

৩. এক রাত:

একদিন অফিসের কাজের জন্য তাদের দুইদিনের ট্রিপ পড়ে চট্টগ্রামে।
হোটেল বুক করা ছিল আলাদা আলাদা, কিন্তু সন্ধ্যায় একসাথে খেতে গিয়ে বৃষ্টি শুরু হয়।

ভেজা শরীরে লিফটের সামনে দাঁড়িয়ে কাঁপছিল নওশীন।
রিজওয়ান নিজের ব্লেজার গায়ে দিয়ে বলেছিল,
“চলো, আমার রুমে গিয়ে চা খাই, ভিজে গেছো।”

কেউ না চাইলেও, কেউ না ঠেকালেও… তারা জানত এটা ঠিক নয়।
তবু সেই রাতেই, নির্জনতায়, উষ্ণতা খুঁজে নেয় তারা।
হাত স্পর্শ করে মুখে, মুখ স্পর্শ করে হৃদয়ে।

রিজওয়ানের ঠোঁট ছুঁয়ে বলেছিল,
“তুমি চাইলে থেমে যেতে পারি।”
নওশীন চোখ বন্ধ করে বলেছিল,
“অনেক বছর পর আমার শরীর জেগে উঠেছে। থেমো না।”

তারা প্রেম করল।
শরীর আর মনের সীমারেখা মিলিয়ে ফেলে এক রাতের জন্য।


---

৪. পাপবোধ ও প্রেম:

সকালে ঘুম ভাঙে নওশীনের, রিজওয়ান তখনও পাশে।
তারা চুপচাপ।
নওশীন ধীরে ধীরে উঠে জামা পড়ে, আয়নায় নিজেকে দেখে –
সে অপরাধবোধে ভেঙে পড়েনি, বরং তার মুখে আত্মবিশ্বাস ছিল।

সে বলেছিল,
“আমি জানি, সমাজ এটা পাপ বলবে। কিন্তু গত আট বছরে আমি যা পাইনি, আজ সেটা এক রাতেই পেয়েছি। প্রেম, শরীর, অনুভব — সবকিছু। আমি কৃতজ্ঞ।”

রিজওয়ান বলেছিল,
“তুমি আমার জীবনের প্রথম নারী, যার সঙ্গে আমি শরীর নয়, আত্মা ভাগ করেছি।”

তারা জানতো এই সম্পর্ককে নাম দেওয়া যাবে না।


---

৫. ফিরে আসা:

ঢাকায় ফিরে দুজনেই নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়, কিন্তু রাতের কথা, চাহনি, ছোঁয়া — কেউ ভুলতে পারে না।

একদিন নওশীন রিজওয়ানকে ডেকে বলে,
“আমাদের আবার দেখা করা ঠিক হবে না। আমার মেয়ে বড় হচ্ছে। আমার স্বামী নেই, কিন্তু সামাজিক বন্ধন তো আছেই।”

রিজওয়ান মাথা নিচু করে বলে,
“আমি জানতাম তুমি একদিন চলে যাবে। কিন্তু আমি কখনোই ভাবিনি তু মি আমার ভেতরে এইরকম শূন্যতা রেখে যাবে।”

নওশীন চলে যায়।


---

৬. দুই বছর পর…

রিজওয়ান এখন অনেক বড় প্রজেক্টের হেড।
তার একটা ইন্টেরিয়র ফার্ম আছে।
বিয়েও করেনি।

একদিন অফিসে একটা নতুন ক্লায়েন্ট আসে — নওশীন।
সে বলে,
“একটা নার্সারি স্কুল খুলছি। মেয়ের জন্য।”
চোখে এখনো সেই একই গাম্ভীর্য, মুখে সেই ক্লান্ত সুন্দর হাসি।

তারা এবার একসাথে বসে কফি খায়। কেউ কিছু বলে না।
শুধু নওশীন বলে,
“ভালোবাসা সবসময় একসাথে থাকা না, কখনো কখনো কা উকে মনে রাখাও ভালোবাসা।”

রিজওয়ান হেসে বলে,
“আমি এখনো সেই চট্টগ্রামের রাতকে বুকে বয়ে বেড়াই।”

তারা আজও একে অপরকে ভালোবাসে,
কিন্তু আর কোনো সম্পর্ক, শরীর, রাত — কিছু নেই।
atOptions = { 'key' : 'a675eca71fa8e7ddc38402ceb4e51387', 'format' : 'iframe', 'height' : 600, 'width' : 160, 'params' : {} };
: center;">
শুধু স্মৃতি।
একটা ‘অবৈধ অথচ সত্য’ ভালোবাসা।






Post a Comment

0Comments

Post a Comment (0)